রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪, ০৮:৩২ অপরাহ্ন

ইলিশের দাম ক্রেতা পর্যায়ে কেন এত বেশি? (ভিডিও)

শরিফুল ইসলাম রাজু,নিজস্ব প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ১০৫ বার পড়া হয়েছে

ইলিশের দাম ক্রেতা পর্যায়ে কেন এত বেশি? (ভিডিও)

 

Nagad
Bengal

 

দেশে মাছ শিকারের নিষেধাজ্ঞাগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়নের ফলে সাগরে ইলিশসহ বিভিন্ন মাছের উৎপাদন এবং আকৃতি বেড়েছে। তবে বঙ্গোপসাগর থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মাছের আড়ত পর্যন্ত বিস্তৃত সিন্ডিকেটের প্রভাবে ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে ইলিশের দাম।

গুগল নিউজে ফলো করুন

 

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ইলিশের দাম বেশি হওয়ার পেছনে রয়েছে সংঘবদ্ধ চক্রের হাত। যা ছড়িয়ে আছে বঙ্গোপসাগর থেকে শুরু করে আড়ত পর্যন্ত। জেলেদের জিম্মি করে বছরের পর বছর ইলিশের দরদাম ঠিক করে বাজার নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। দেশের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে জালবিস্তার করা সিন্ডিকেটটি পরিচালিত হয় মোবাইল ফোনের মাধ্যমে। তাই সিন্ডিকেটের কয়েক হাত বদলের পর সাধারণ ক্রেতাদের কাছে পৌঁছাতে পৌঁছাতে ইলিশে দাম বেড়ে যায় কয়েক গুণ।

 

বাজারে যে দামে ইলিশ বিক্রি হয়, তার অর্ধেক দাম পেলেও বদলে যেত জেলেদের জীবন। ইলিশ ধরার কাজে জেলেদের দৈনিক ভিত্তিতে কোনো মজুরি দেওয়া হয় না। লাভ-লোকসানের হিসাব করে তাদের বেতন দেওয়া হয়। বঙ্গোপসাগর থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মাছের আড়ত পর্যন্ত বিস্তৃত সিন্ডিকেটের প্রভাব দিন দিন বেড়ে চলায় গরিব জেলেরা পড়েছেন বিপাকে, আর ঠকছেন সাধারণ ক্রেতারা।

 

জেলেরা বলছেন, বাজারে যে দামে ইলিশ বিক্রি হয় সে দাম তারা পান না। জেলেরা মাছ বিক্রি করেন মোক্তা (গড়পড়তা) হিসাব করে। বাজারে যেভাবে কেজি দরে মাছ বিক্রি করা হয় তাদেরকে সে দাম দেওয়া হয় না।

Ruchi

 

জানা যায়, ইলিশের দাম ওঠানামা করে ঢাকার বাজারদরের ওপর। ঢাকায় ইলিশের দাম কমলে মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে দাম কমে, ঢাকায় বাড়লে সেখানেও বাড়ে। আর এই কারসাজির পুরো প্রক্রিয়া মোবাইল ফোনের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করে সিন্ডিকেট। অন্যদিকে, আড়ত থেকে দাদন নেওয়ার কারণে জেলেরা মাছ ধরে আনার পর সেখানেই বিক্রি করতে বাধ্য হন। এ ক্ষেত্রে জেলেরা আড়তে ইলিশ বিক্রি করেন কেজি প্রতি ৮০০ থেকে ১০০০ টাকায়। আর এক কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি করেন ১০০০ থেকে ১২০০ টাকায়। সেই মাছ আড়তদাররা পাইকারদের কাছে বিক্রি করেন কেজি প্রতি ১০০০ থেকে ১২০০ টাকায় আর এক কেজির বেশি ওজনের ইলিশ বিক্রি হয় ১২০০ থেকে ১৫০০ টাকায়। একই মাছ পাইকাররা ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করেন কেজি প্রতি ১২০০ থেকে ১৫০০ টাকা এবং এক কেজির বেশি ওজনের ইলিশ ১৫০০ থেকে ২৫০০ টাকায় বিক্রি হয়। এভাবেই সিন্ডিকেটের কবলে পড়ে হাত বদলের কারণে ক্রেতাদের কাছে পৌঁছাতে পৌঁছাতে ইলিশের দাম বেড়ে যায়।

 

দিনদিন মধ্যস্বত্বভোগীরা পকেট ভারী করলেও, গরিব জেলেদের কোনো ভাগ্য উন্নয়ন হয় না। তবে মাছের দাম নিয়ন্ত্রণ সম্পূর্ণভাবে আড়তদারদের হাতে থাকে বলে জানান বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের কর্মকর্তা জি এম মাসুদ শিকদার।

 

তিনি বলেন, জেলেরা যখন সাগরে প্রচুর পরিমাণ মাছ ধরেন, তখন তারা দ্রুত আমাদের অবতরণ কেন্দ্রে আসেন। সাধারণত যখন মানুষের চাহিদার তুলনায় অতিরিক্ত পরিমাণ মাছ থাকে তখন দাম সহনীয় পর্যায় থাকে। আর যখন কোনো কারণে মাছ কম পাওয়া যায় তখন মাছের দাম বেশি থাকে। কারণ, সে সময় বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা পাইকাররা প্রতিযোগিতা করে মাছ ক্রয় করেন।

 

এ বিভাগের আরো সংবাদ

আজকের নামাজের সময়সুচী

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৩:৪৬ পূর্বাহ্ণ
  • ১২:০৩ অপরাহ্ণ
  • ১৬:৪০ অপরাহ্ণ
  • ১৮:৫২ অপরাহ্ণ
  • ২০:১৮ অপরাহ্ণ
  • ৫:১১ পূর্বাহ্ণ
© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত।। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা,ছবি,অডিও,ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।।
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102