শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪, ০৩:২৩ পূর্বাহ্ন

বন্যায় কক্সবাজারে পানিবন্দি সাড়ে ৫ লাখ মানুষ

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৮ আগস্ট, ২০২৩
  • ৬৮ বার পড়া হয়েছে

প্রকাশ : ০৮ আগস্ট ২০২৩

Nagad
Bengal

গেল কয়েক দিন ধরে ভারী বর্ষণ ও মাতামুহুরী নদীতে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানিতে বান্দরবানের লামা, কক্সবাজারের চকরিয়া ও পেকুয়ায় বন্যা দেখা দিয়েছে। এতে তিন উপজেলার প্রায় সাড়ে ৫ লাখ মানুষ এখন পানিবন্দি অবস্থায় জীবনযাপন করছেন।

গুগল নিউজে ফলো করুন www.dailybangladesherdak.com অনলাইন

এদিকে কক্সবাজার সদর উপজেলার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। অভ্যন্তরীণ সড়কগুলো কয়েক ফুট পানির নিচে তলিয়ে গেছে। সরকারি-বেসরকারি অফিস, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় রান্নাবান্না করতে না পারায় খাবার ও বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকটে পড়েছেন এলাকার মানুষ।

daraz

কক্সবাজার আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ আব্দুর রহমান জানিয়েছেন, সোমবার (৭ আগস্ট) রাত ৯টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় ১৪৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। বৃষ্টিপাত আগামী ৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানান তিনি।

এদিকে চকরিয়ায় মাতামুহুরী নদীতে নেমে আসা ঢলের পানিতে লাকড়ি ধরতে গিয়ে তীব্র স্রোতে ভেসে গিয়ে নিখোঁজ হয় মো. শাহ আলম (৩৫)। গতকাল সোমবার সকাল ৯টার দিকে বাড়ির কাছে মাতামুহুরী নদীর লক্ষ্যারচর হাজিপাড়া পয়েন্টে এ ঘটনা ঘটে। বিকেলে লক্ষ্যারচরে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শাহ আলম ওই এলাকার জাকের হোসাইনের ছেলে। এছাড়া, বিকেলে উখিয়া বালুখালী রোহিঙ্গা মা-মেয়েসহ পাহাড় চাপা পড়ে পাঁচজন মারা গেছে।

Ruchi

বন্যায় কক্সবাজারে পানিবন্দি সাড়ে ৫ লাখ মানুষ

চকরিয়া উপজেলার কাকারা, সুরাজপুর-মানিকপুর, লক্ষ্যারচর, কৈয়ারবিল, বরইতলী, হারবাং, পূর্ব বড় ভেওলা, বিএমচর, কোনাখালী, ঢেমুশিয়া, পশ্চিম বড় ভেওলা, সাহারবিল, চিরিঙ্গা, ফাঁসিয়াখালী, ডুলাহাজারা, খুটাখালী এবং পেকুয়া সদর, রাজাখালী, উজানটিয়া এবং চকরিয়া পৌরসভার সিংহভাগ এলাকা বর্তমানে ৮ থেকে ১০ ফুট বানের পানির নিচে রয়েছে। এসব এলাকার প্রায় তিন শতাধিক গ্রামের অন্তত সাড়ে পাঁচ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। ঘরে ঘরে খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে। এসব পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের কারণে গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হচ্ছে।

এদিকে চকরিয়ার বরইতলী ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের সরকারি সংরক্ষিত বনাঞ্চলের পূর্ব ভিলিজার পাড়ায় মাটির ঘরের দেয়াল ধসে আনোয়ার হোসেনের দুই শিশুর মৃত্যু হয়। তারা হলেন- একজন মোহাম্মদ সাবিত (৫) ও অন্যজন তাবাচ্ছুম (১)। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওই এলাকার ইউপি চেয়ারম্যান ছালেকুজ্জামান।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কোনো কোনো ইউনিয়নে সড়ক ও বেড়িবাঁধ ভেঙে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। অঘোষিতভাবে বন্ধ হয়ে গেছে দুই উপজেলার দেড় শতাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

ভেসে গেছে বিভিন্ন পুকুরের মৎস্য ও তলিয়ে গেছে প্রায় ৩০ হাজার একর জমির সবজিসহ বিভিন্ন ফসলের ক্ষেত। ভারি বর্ষণ অব্যাহত থাকায় লামা, চকরিয়া ও পেকুয়া এই তিন উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতি নাজুক হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

অন্যদিকে চকরিয়ার হারবাং, ডুলাহাজারা, খুটাখালী, কৈয়ারবিল ও ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের কারণে গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হচ্ছে। এসব এলাকায় সরকারি সংরক্ষিত বনাঞ্চলে পাহাড়ের ঢালে অবৈধভাবে বসবাসকারী লোকজনকে নিরাপদ স্থানে সরে যেতে প্রশাসনের তরফে মাইকিং করা হয়েছে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

আজকের নামাজের সময়সুচী

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৩:৪৬ পূর্বাহ্ণ
  • ১২:০৩ অপরাহ্ণ
  • ১৬:৪০ অপরাহ্ণ
  • ১৮:৫২ অপরাহ্ণ
  • ২০:১৮ অপরাহ্ণ
  • ৫:১১ পূর্বাহ্ণ
© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত।। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা,ছবি,অডিও,ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।।
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102